দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ সোনারপুরে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে মারধরের শিকার হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের (টিএমসি) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এ সময় ‘চোর চোর’ স্লোগান দিয়ে পাথর ও ডিমও ছোড়ে বিক্ষুব্ধ জনতা। মাথায় হেলমেট পরিয়ে ঘটনাস্থল থেকে কোনোভাবে তাকে বের করে নিয়ে যায় নিরাপত্তারক্ষীরা।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (৩০ মে) দক্ষিণ ২৪ পরগনার ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় আক্রান্ত হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের পর সহিংসতায় নিহত কর্মী সঞ্জু কর্মকারের পরিবার এবং ক্ষতিগ্রস্ত অন্য পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন।
ঘটনার প্রতিক্রিয়া অভিষেক জানায়, এই হামলার পেছনে বিজেপির হাত রয়েছে।
গত ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর এটাই ছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশ্য কর্মসূচি। শনিবার নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় আক্রান্ত ও নিহত তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের বাড়িতে যাওয়ার কর্মসূচি নিয়েছিলেন অভিষেক।
প্রসঙ্গত অভিষেক সোনারপুরে যাওয়ার আগেই এই এলাকায় নারীরা জুতা, চপ্পল, ডিম, কালো পতাকা নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল এমন ইনপুট ছিল পুলিশের কাছে। পুলিশের তরফে সেই তথ্য জানানো হয় অভিষেককে। এরপরেই অভিষেক সোনারপুরে ঢোকার মুখে নিজের কনভয় ছেড়ে মোটরবাইকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এরপর পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে ওঠে।
বিধ্বস্ত অবস্থায় নিহত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে পৌঁছান অভিষেক। নিহত কর্মীর ছবির সামনে দাঁড়িয়ে তিনি নিশানা করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তথা বিজেপি সরকারকে।
অভিষেক বলেন, ‘আমার মাথাটা বেঁচে গেছে হেলমেট ছিল বলে। আমার চশমা ভেঙে দিয়েছে। কিন্তু আমি হয়তো এভাবেই এখান থেকে বেরিয়ে গেলাম। তারপর তো সঞ্জু কর্মকারের বৃদ্ধ বাবা-মায়ের উপর চড়াও হবে তারা।’
কেএম